হরতালের নামে যারা নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে তাদের সঠিক পথে আনার উপায় জানা -প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, হরতালের নামে যারা নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে তাদের সঠিক পথে আনার উপায় সরকারের জানা আছে।
গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, মানুষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপে আর দানব দেখতে চায় না। স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ও ‘সমুদ্র বিজয়’ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই সংবর্ধনা দেয় ছাত্রলীগ। বিকেল ৪টার কিছুক্ষণ আগে অনুষ্ঠানস’লে পৌঁছান শেখ হাসিনা। এ সময় সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা তাকে অভ্যর্থনা জানান।
এইচএসসি পরীক্ষার মধ্যে ১৮ দলীয় জোটের হরতালের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা গাড়ি পোড়াবেন, মানুষ মারবেন; এসব ধ্বংসাত্মক কাজ পরিহার করুন। আমরা সহ্য করছি বলে মনে করবেন না- এটা আমাদের দুর্বলতা। এটা আমাদের দুর্বলতা নয়।
তিনি বলেন, যারা মানুষ হত্যা করে, তাদের কীভাবে সঠিক পথে আনতে হয় তা আমাদের জানা আছে।
আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে করার বিষয়ে বিএনপির দাবি নাকচ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপে আর দানব দেখতে চায় না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার কিছুই দিতে পারেনি, দিয়েছে অপশাসন। বিরোধীদলকে গণতন্ত্রের পথে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশে যেভাবে গণতন্ত্র চলছে, বাংলাদেশেও সেভাবে চলবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিয়ে চলা মামলার রায় বের হবে। সে বছরের জানুয়ারিতে সরকারের পাঁচ বছর পূর্ণ হবে। ২০১৪ সালের ২৫ জানুয়ারির মধ্যে আগামী নির্বাচন করতে হবে। সে নির্বাচনে জয়ী হলে অবশ্যই ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধে আমরা জয়লাভ করব।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমাদের প্রতিটি সংগ্রামে ছাত্রলীগের অবদান রয়েছে। তাদের ত্যাগ-তিতিক্ষা রয়েছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের আগে ছাত্রলীগের জন্ম হয়েছে। সেদিক দিয়ে ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগের চেয়ে এক বছরের বড়। প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের উদ্দেশে বলেন, ছাত্রলীগের প্রথম কাজ লেখাপড়া করা।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ কোনো দিক দিয়েই পিছিয়ে নেই। আমরা মিয়ানমারের সুনীল সমুদ্রও জয় করতে পেরেছি।
বিরোধী দলের ডাকা হরতাল প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি কোনো ইস্যু ছাড়া হরতাল ডেকেছে। পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। তিনি বলেন, বিএনপি কী করেছে? হরতালে বাসের মধ্যে ঘুমন- চালককে পুড়িয়ে মেরেছে। একসঙ্গে পাঁচটি জীবন নিয়েছে। তাদের কথা ভেবে দেখেনি।
শেখ হাসিনা বলেন, এর আগে বাংলাদেশে অপশাসন চলেছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, রাজনীতিবিদ সবার সঙ্গেই অসদাচরণ করেছে, নিপীড়ন করেছে। সেই দানবরূপী তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে আমরা আর চাই না।
বিকেল ৪টা ৫১ মিনিট থেকে শুরু করে আধ ঘণ্টার বেশি সময় দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ও পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।
এর আগে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে শেখ হাসিনার হাতে ক্রেস্ট ও উত্তরীয় তুলে দেন ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রলীগ এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতারা।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাবা-মাসহ পরিবারের প্রায় সব সদস্যকে হারানোর পাঁচ বছর নয় মাস পর ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফেরেন বঙ্গবন্ধু কন্যা হাসিনা। আর গত ১৪ মার্চ সমুদ্র আইন বিষয়ক আন-র্জাতিক আদালত বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমানা চিহ্নিত করে রায় দেয়, যাকে ‘সমুদ্র জয়’ বলে অভিহিত করে ক্ষমতাসীন দল।
এ দুটি উপলক্ষে দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা কয়েক হাজার ছাত্রলীগ নেতাকর্মী অংশ নেন। বিপুল করতালির মধ্যে বিকেল ৪টার দিকে প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন।
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম, এভারেস্ট বিজয়ী মুসা ইব্রাহিম, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্য মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, ফুটবলার জাহিদ হাসান এমিলি শেখ হাসিনাকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রলীগের সভাপতি এ বি এম বদিউজ্জামান সোহাগ।
শেখ হাসিনাকে ‘সমুদ্র জয়ের কর্ণধার’ অভিহিত করে এর আগে যুব সংগ্রাম পরিষদ ও নাগরিক কমিটি আলাদাভাবে তাকে গণসংবর্ধনা দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর হুমকিতে জনগণ ভীত নয় – ব্যারিস্টার রফিকুল
ঢাকা, ১৯ মে : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেছেন,দেশ এখন মারাত্মক সংকটের মুখে। প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে একের পর এক হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। তার এ হুমকিতে জনগণ ভীত নয়।
গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ফোরাম আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ অভিযোগ করেন। বিএনপির জাতীয় নেতাদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে এবং মুক্তির দাবিতে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে দমন করার জন্য হুমকি দিচ্ছেন। তিনি বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্নহ্ন করার পথ জানেন, কিন্তু পদ্মা সেতু ও সুরঞ্জিতের দুর্নীতি এবং শেয়ারবাজার কারসাজির কিছুই করতে পারেন না।
গত বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের এক সংবর্ধনায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি নাকচ করে দিয়ে বলেন, তত্ত্বাবধায়করূপী দানব আর মানুষ দেখতে চায় না। হরতালের নামে যারা নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে, তাদের সঠিক পথে আনার উপায় জানা আছে। সহ্য করছি বলে দুর্বলতা মনে করবেন না।
রফিকুল বলেন, জাতীয় এত নেতা হুকুমের আসামি হতে পারেন না। বিচার বিভাগে দলীয়করণের কারণে আওয়ামী জুনিয়র বিচারপতিরা সিনিয়রদের রায় মানছেন না। সিনিয়ররা জোট নেতাদের জামিন দিলেও জুনিয়ররা জেলে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার ১৮ দলের হরতালে পুলিশ এক ব্যক্তির গলা টিপে হত্যা করতে চেয়েছে। দলীয় কার্যলয়ের সামনে বিএনপি নেতাদের বের হতে দেয়নি পুলিশ। যারা বের হয়েছে তাদেরকেই গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, অস্ত্রসহ হাতেনাতে গ্রেফতার সন্ত্রাসীদের এক বছরের আগে জামিনের সুযোগ না থাকলেও ১৭ দিনের মাথায় তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। আর ১৮ দলীয় নেতাদের মিথ্যা মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গত ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের বিবদমান দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সময় আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ হাতেনাতে ধরা পড়ে ছাত্রলীগের দুই কর্মী। গ্রেফতারের ১৭ দিনের মধ্যেই জামিন পেলেন ছাত্রলীগের দুই কর্মী।
রাষ্ট্রপতিকে জয়নাল আবদীন ফারুক : ইলিয়াসের সন্ধান দিতে প্রধানমন্ত্রীকে নির্দেশ দিন
ঢাকা, ১৯ মে : বিরেধী দলীয় চীফ হুইপ জয়নাল আবেদীন ফারুক বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর সন্ধান জানাতে প্রধান মন্ত্রীকে নিদের্শ দিতে রাষ্ট্রপতিকে আহবান জানিয়েছেন ।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি অবৈধভাবে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য সার্চ কমিটি গঠন করেছিলেন। ইলিয়াস আলীর ব্যাপারে ও একটি কমিশন গঠন করুন। তিনি বলেন, সরকারের কাজ সার্বভৌমত্ব, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলি রক্ষা করা। বর্তমান সরকার তা না করে সব কিছু ধ্বংস করেছে। রাষ্ট্রপতি আগামী ২৭ তারিখ সংসদ অধিবেশন ডেকেছেন। কিন্তু আমাদের শীর্ষ নেতারা কারাগারে। কিভাবে আমরা যাব? সরকারকে হুঁশিয়ার করে দিয়ে তিনি বলেন, আপনাদের হুংকারে আমরা ভয় পাই না। রাজপথে আপনাদের মোকাবেলা করা হবে। ফারুক আরো বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে ধ্বংস করতে চাইছে। কিন্তু মইন-ফখরুদ্দিনেরমত ষড়যন্ত্রকারীরা তা করতে পারেনি, এরাও পারবে না। ৩১ দিনেও ইলিয়াস আলীকে খুঁজে বের করতে না পারার ব্যর্থতার কারণে এ সরকারের পদত্যাগ করা উচিত।
জাতীয় নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তি, ইলিয়াস আলীর সন্ধান ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে চিকিৎসক সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, প্রফেসর সদরুল আমীন, চাষী নজরুল ইসলাম, ডা. জাহিদ হোসেন, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল, আব্দুল আউয়াল ঠাকুর, এমএ করিম প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন ড্যাব সভাপতি ডা. একেএম আজিজুল হক।
গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ ডাক্তার অ্যাসোসিয়েসন (ড্যাব) আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপি জামাতের নৈরাজ্য ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে -যু্ক্তরাজ্য আ’লীগ সভাপতি
লন্ডন, ১৮ মে’ : ১৯৮১ সালের ১৭ই মে জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গনতন্ত্র পুনঃ-প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের পুনঃসূচনা হয়। দীর্ঘ ছয় বৎসর প্রবাস জীবনের পর বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রধান হিসেবে শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসেন।
শুরু হয় খুনি- স্বৈরাচার জিয়ার বিরুদ্ধে আমাদের দীর্ঘ আন্দোলন। আজ শেখ হাসিনার নেতৃতে বাংলাদেশ যখন প্রগতির পথে এগুচ্ছে, অর্থনৈতিক মুক্তির দিকে এগুচেছ, তখনি বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট হিসেবে পরিনত করার জন্য খালেদা জিয়ার নেতৃতে একটি মহল বাংলাদেশে বিভিন্ন ভাবে অরাজকতা সৃষ্টির পায়তারা করছে, সারা দেশে হরতালের নামে তাণ্ডবলীলা চালাচ্ছে। আমরা প্রবাস থেকে জননেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ নিয়ে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দিতে কাজ করে যাচিছ।
আমরা নিশ্চিত যে বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা`র যোগ্য নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশ কে একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে গড়ে তোলবেন। তিনি বলেন দেশের উন্নয়নের পথে যারা বাধা দিবে, কৃত্রিম ইস্যু তৈরি করে দেশে হরতালের নামে মানুষ পুড়িয়ে মারবে, জনগনের ও দেশের সম্পদ নষ্ট করবে, জনগণের সুস্থ জীবন যাত্রা ব্যাহত করবে, নিজেরা গুম- হত্যা করে সরকারের উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করবে – তাদেরকে কোন অবস্থাতেই আর ছাড় দেয়া হবে না। কঠিন ভাবে তাদের মোকাবেলা করা হবে। দেশের জনগণ আর বসে থাকবে না। বিএনপি-জামাতের নৈরাজ্য ও ধবংসাত্মক বিরুদ্ধে দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে ,সভাপতির বক্তব্যে যু্ক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ এ কথা গুলি বলেন।শেখ হাসিনার ৩১ তম স্বদেশ প্রত্যার্বতন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা, গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় লন্ডনের ব্রিকলেনস্হ বৈশাখী রেষ্টুরেন্টে অনুষ্টিত হয় ।যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের অন্যতম যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্টিত সভায়
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি জনাব সামসুদ্দিন আহমদ মাষ্টার, সাধারন সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক,যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মারুফ আহমদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব সাজ্জাদ মিয়া, আব্দুল আহাদ চৌধুরী,যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ নেতা আনসারুল হক, এম এ করিম, মেহের নিগার চৌধুরী, আ স ম মিসবাহ, লন্ডন আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল হক লালা মিয়া, সাধারন সম্পাদক আলতাফুর রহমান মুজাহিদ,রাজিয়া রহমান , যুক্তরাজ্য যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফখরুল ইসলাম মধু, সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল আহমদ খান, ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তামিম আহমেদ, কবির হোসেন খান প্রমুখ।
সভায় অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ,ছাত্রলীগ এর সহ-সভাপতি সুমন আহমেদ, ফখরুল ইসলাম জামাল, আশিক বাবু ভানি, মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি কবির আহমেদ, এনামুল হক এনাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ফখরুল কামাল জুয়েল সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ।
প্রথম বাংলাদেশী নারী এভারেষ্ট চূড়ায়
ঢাকা, ১৯ মে’ : প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্ট জয় করলেন নিশাত মজুমদার। বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৯টায় এভারেস্ট চূড়ায় তিনি বাংলাদেশের পতাকা ওড়ান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন আরেক এভারেস্ট জয়ী এম এ মুহিত, যিনি এর আগেও একবার এভারেস্ট জয় করেছিলেন। তারা দুই জনই বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং অ্যান্ড ট্র্যাকিং ক্লাবের সদস্য।
বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং অ্যান্ড ট্র্যাকিং ক্লাবের (বিএমটিসি) প্রতিষ্ঠাতা ইনাম আল হক বলেন, “শেরপার কাছ থেকে জানতে পেরেছি, সকাল সাড়ে ৯টায় নিশাত মজুমদার এম এ মুহিতের সঙ্গে এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেছেন।” ভাইয়ের দ্বিতীয় দফা এভারেস্ট জয়ের খবরে উল্লসিত মুহিতের বোন সাংবাদিক রাবেয়া বেবী।
তিনি বলেন, “আমাদের সঙ্গে এখনো ভাইয়ার যোগাযোগ না হলেও এএমটিসি’র পক্ষ থেকে সকালে তাদের এভারেস্ট জয়ের খবর দেওয়া হয়েছে। আমাদের পরিবারের প্রত্যেকেই খুবই খুশি, আমরা ভাইয়ার জন্য গর্বিত।” সুস্থ দেহে মুহিত দেশে ফিরে আসবেন এমনটি প্রত্যাশা করছেন ইত্তেফাকের এই স্টাফ রিপোর্টার রাবেয়া।
ব্যবসায়ী বাবা আবদুল মান্নান মজুমদার ও গৃহিণী মা আশুরা মজুমদারের চার সন্তানের মধ্যে নিশাত দ্বিতীয়। তার জন্ম ১৯৮১ সালে লক্ষ্মীপুরে। থাকেন ঢাকার পান্থপথে ভাড়া বাসায়। নিশাত মজুমদার ফার্মগেটের বটমূলী হোম উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, শহীদ আনোয়ার গার্লস কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক এবং ঢাকা সিটি কলেজ থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেছেন।
বর্তমানে নিশাত ঢাকা ওয়াসায় হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। বাংলাদেশের এই প্রথম নারী এভারেস্ট জয়ী নিশাত ২০০৩ সালে এভারেস্ট বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তিতে বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়া (৩,১৭২ ফুট) কেওক্রাডং জয় করেন। ২০০৬ সালের মার্চে বিশ্ব নারী দিবস উপলক্ষে বিএমটিসি আয়োজিত বাংলাদেশের নারী অভিযাত্রী দলের সঙ্গে ফের কেওক্রাডং চূড়ায় ওঠেন তিনি। একই বছরের সেপ্টেম্বরে বিএমটিসি আয়োজিত নারী অভিযাত্রী দলের সঙ্গে তিনি এভারেস্ট বেস ক্যাম্প (১৭ হাজার ৫০০ ফুট উচ্চতা) ট্র্যাকিংয়ে অংশ নেন। এরপর ২০০৭ সালের মে মাসে বিএমটিসির অর্থায়নে দার্জিলিংয়ের হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউট থেকে মৌলিক পর্বতারোহণ প্রশিক্ষণ নিয়ে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে হিমালয়ের মেরা পর্বতশৃঙ্গ (২১ হাজার ৮৩০ ফুট) জয় করেন নিশাত মজুমদার।
এভারেস্ট অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে পরের বছরের মে মাসে হিমালয়ের সিঙ্গুচুলি পর্বতশৃঙ্গে (২১ হাজার ৩২৮ ফুট) ওঠেন। একই বছরের সেপ্টেম্বরে তিনি ভারতের উত্তর কাশীর গঙ্গোত্রী হিমালয়ের গঙ্গোত্রী-১ পর্বতশৃঙ্গে (২১ হাজার ফুট) বাংলাদেশ-ভারত যৌথ অভিযানে অংশ নেন। নিশাত ২০০৯ সালের এপ্রিলে পৃথিবীর ৫ম উচ্চতম শৃঙ্গ মাকালুতে (২৭ হাজার ৮৬৫ ফুট) ভারত-বাংলাদেশ যৌথ অভিযানে অংশ নেন। গতবছরের অক্টোবরে বিএমটিসি আয়োজিত হিমালয়ের চেকিগো নামের একটি শৃঙ্গেও সফল অভিযানে যান নিশাত। এর আগে ২০১০ সালের ২৩ মে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এভারেস্টের চূড়ায় উঠেছিলেন মুসা ইব্রাহিম। এরপর ২০১১ সালের ২১ মে দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন এম এ মুহিত।
সিলেট বিভাগ উন্নয়ন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ সিলেট জেলা কমিটি গঠন
সিলেট বিভাগ উন্নয়ন ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদ সিলেট জেলা শাখা গঠনের লক্ষ্যে সম্প্রতি সিলেট নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক এনামুল হক সুহেলের সভাপতিত্বে ও যুগ্ন আহবায়ক কিবরিয়া সারোয়ার এবং রাজিব রহমান নাবিলের যৌথ পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, সামাজিক, পরিবেশ ও মানবাধিকার বাস-বায়ন সংস’া সিলেট জেলা শাখার সভাপতি এম. আসিফ ইসলাম। প্রধান বক্তা হিসেবে উপসি’ত ছিলেন, সিলেট বিভাগ উন্নয়ন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের বিভাগীয় সমন্বয়কারি সাংবাদিক মাহফুজ আদনান। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক এনামুল হক সুহেল’কে সভাপতি, মোঃ কিবরিয়া সারওয়ার’কে সাধারণ সম্পাদক ও আফজাল হুসাইন পাপ্পুকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৬৭ সদস্যবিশিষ্ট ২০১২-২০১৩ সালের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, সহ সভাপতি যথাক্রমে হোসাইন আহমেদ সিপন, কয়েছ আহমদ সুমন, রাজিব রহমান নাবিল, তাওহিদুল ইসলাম, জাভেদ নেওয়াজ চৌধুরী, সজীব আহমেদ, সুলতান মহিউদ্দিন সিহাব, এটিএম সামছুল হাসান বাবর, অভ্র কুমার দাস, সহ- সাধারন সম্পাদক যথাক্রমে জামাল আহমেদ, মাসরুর এলহান কিবরিয়া, এ কে শাহনেওয়াজ আহমেদ, আনিসুল ইসলাম অপু, মোঃ ইসমাইল আলী, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক যথাক্রমে তপন দাস, তাহিন আহমেদ, সোহান আহমেদ, মোঃ আবু সুফিয়ান চৌধুরী, মুমিতুজ্জামান সুজন, অর্থ সম্পাদক আরেফিন লতিফ চৌধুরী, সিদরাত হুসাইন চৌধুরী, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ইকবাল হুসাইন, সামসুজ্জামান খান, কাশেম আহমেদ চৌধুরী, মুশাররফ হুসাইন, মজিদ আহমেদ সামি, সমাজসেবা সম্পাদক আতিকুর রহমান, সহ সমাজ সেবা সম্পাদক সত্যজিৎ অধিকারী, সানি বখশ, আলি হায়দার সুমন, সুমন আহমেদ, আমিরুল হক রুবেল, প্রচার সম্পাদক গোলাম মাওলা রাজন, সহ-প্রচার সম্পাদক রনি আহমেদ, ইসকান আহমেদ, রাজিব দেবনাথ, নাদির লতিফ চৌধুরী, সায়েদ শিহাব, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নাছিমা আক্তার বৃষ্টি, সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক তাজমুন নাহার লিজা, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক রাসেল আহমেদ, সহ পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক তানিম আহমেদ, ফরহাদ আহমেদ, তুহিন আহমেদ, ইমন আহমেদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক এমদাদ হুসাইন, সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক খালিদ আহমেদ চৌধুরী, জামিল আহমেদ, জিল্লুর রহমান, ওয়াহিদ ইকবাল, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক জাকির মোহাম্মাদ, হুসাইন দেলওয়ার, ক্রীড়া সম্পাদক শাহনেওয়াজ নাজু, নাবিল সামাদ, নুরুন আহমেদ, এসিড সন্ত্রাস বিষয়ক সম্পাদক তপন দে, সুবির চন্দ, সদস্য রাফি সাইদ, রেজওয়ান চৌধুরী, ইকরাম আহমেদ, সজিব আহমেদ, সামিন মুরশেদ, হাবিব রাহমান, তাহমিদ আহমেদ।







